গোসল কত প্রকার ও কি কি?

 গোসল চার-প্রকার

 

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম ।

 


গোসল চার-প্রকার যেমনঃ
১.ফরজ গোসল।
২.ওয়াজিব গোসল।
৩.সুন্নাত গোসল।
৪.মুস্তাহাব গোসল।

 

১.ফরজ গোসল
যে সব কারনে  ফরজ গোসল হয় এর কারণসমূহঃ
১.জাগ্রত বা নিদ্রা অবস্থায় উত্তেজনার সাথে বীর্যপাত হওয়া।
২.স্বপ্ন দোষ হয়ে যদি বীর্য পাত হয়।   
৩.স্ত্রী সহবাস করার দ্বারা গোসল ফরজ হয়।  
৪.নারীদের ঋতু (হায়েজ-মিনস) বা নেফাস (সন্তান প্রসোবত্তোর স্রাব) হওয়া।   

 

২.ওয়াজিব গোসল
যে সব কারনে  ওয়াজিব গোসল হয় এর কারণসমূহঃ
১.মৃত ব্যক্তির গোসল জীবিতদের জন্য ওয়াজিব হয়।
২.কাফের নাপাক শরীর মুসলমান হতে চাইলে এর আগে গোসল করা ওয়াজিব।

৩.ছেলেদের স্বপ্নদোষ মেয়েদের ঋতুস্রাব দ্বারা বালেগ হলে গোসল করা ওয়াজিব।
৪.বিধর্মী স্ত্রীলোক ঋতু বা নেফাছ বন্ধ হওয়ার পর মুসলমান হতে চাইলে  গোসল করা ওয়াজিব।  

 

৩.সুন্নাত গোসল
যে সব কারনে  সুন্নাত গোসল হয় এর কারণসমূহঃ
১.জুমার নামাজের জন্য গোসল করা।
২.দুই ঈদের নামাজের জন্য গোসল করা।
৩. ইহরামের পূর্বে গোসল করা।
৪.আরাফার ময়দানে অবস্থানের আগে গোসল করা।

৪.মুস্তাহাব গোসল
যে সব কারনে মুস্তাহাব গোসল হয় এর কারণসমূহঃ
১.শাবানের পনের তারিখ রাতে।

২.কদরের রাতে।
৩.গোনাহ থেকে তওবা করার পূর্বে।
৪.সফর থেকে ফিরে আসলে।
৫.মদিনা মুনাওয়ারায় প্রবেশের পূর্বে।
৬.মক্কা মুকাররমায় প্রবেশের পুর্বে।
৭.মুজদালিফায় যাওয়ার পূর্বে।
৮.তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে।
৯.মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়ার পরে।
১০. নতুন কাপড় পরিধানের পূর্বে।
১১.অতিরিক্ত গরম পরলে।
১২.চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণের নামাজের জন্য।
১৩.এস্তেসকা (বৃষ্টির) নামাজের জন্য।
১৪.ভয় পেলে।
১৫.পাগলামী থেকে সুস্থ্য হলে।
১৬.বেহুঁশ কিংবা মাতাল ব্যক্তি হুঁশ হওয়ার পর।

১৭.পবিত্র অবস্থায় ইসলাম গ্রহণ করার পর গোসল করা মুস্তাহাব। তবে নাপাক অবস্থায় ইসলাম গ্রহণ করলে গোসল করা ওয়াজিব।  
১৮.প্রবল বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সময়।

১৯ অধিক অন্ধকারের সময়। (জামেউস সুনান, ফিকহুল মুয়াস্সার).

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নিরাপদ পানির বৈশিষ্ট্য

ওয়াড বয় ও ট্রলি ম্যান মানে কি?এদের মধ্যে পার্থক্য কি?